Friday, 18 November 2016

পেয়ারা গাছ

আমেরিকার নিরক্ষীয় অঞ্চল পেয়ারার আদি জন্মস্থান। পেরু থেকে মেক্সিকো পর্যন্ত এলাকায় দ্রুত এর বিস্তার ঘটে। ভারত, মেক্সিকো, ব্রাজিল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, বার্মা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, হাওয়াই, ফিলিপাইন, ফ্লোরিডা প্রভৃতি দেশে ব্যাপকভাবে পেয়ারার চাষ হয়। পেয়ারা গাছের জন্য সর্বোত্তম তাপমাত্রা হচ্ছে ২৩-২৮° সে.। তবে পরিণত গাছ ৪৫° সে. তাপমাত্রায়ও বেঁচে থাকতে পারে।
পেয়ারা গাছ ছোট থেকে মাঝারি (২.৩-১০ মি) আকারের হয়ে থাকে। শিকড় মাটির বেশি গভীরে প্রবেশ করে না।

Thursday, 17 November 2016

লাল শাক

লাল শাক এক প্রকারের সবজি, যার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া হয়। এই শাক আগে শুধুমাত্র শীতকালে পাওয়া গেলেও বর্তমানে এটি সারাবছরই পাওয়া যায়। এর রং লাল এবং রান্নার পর এটি থেকে লাল রং বের হতে দেখা যায়। এই সবজি ৬"-১২" হয়। গাছের কান্ড থেকে ভেঙে নিয়ে আসার পর ভাঙা কান্ড হতে পুনরায় নতুন গাছ গজায়।
লাল শাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লাল শাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

– শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয় তা প্রতিরোধ করা যায়।
– এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
– রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।
– লাল শাকের বিটা-ক্যারোটিন হার্টস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।
– এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে এবং দন্ত ও অস্থি গঠনে অবদান রাখে। দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে।
– শিশুদের অপুষ্টি দূর করে।
– ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাল শাক যথেষ্ট উপকারি। এ ছাড়াও এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।
– আঁশ জাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
– ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।

পুঁই শাক

রঙ ভেদে দু’ধরনের পুইশাক দেখা যায়। লাল ও সবুজ।
পুঁই গাছের ডগা মাঝে মাঝে কেটে দিতে হয়। এতে শাকও খাওয়া হয় আবার গাছে নতুন ডগাও বেরোয়। একবার চারা লাগিয়ে ৮ থেকে ১০ বার পুঁইশাক সংগ্রহ করা যায়।
পুঁইশাক বেশ পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। দেশজুড়ে পুঁইশাকের রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। সহজলভ্য বলে এই শাক কম-বেশি সবার কাছেই প্রিয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।
বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে শরীরের রোগজীবাণু দেহের বাইরে যায়। কোনো কারণে সঠিকভাবে নিষ্কাশন হতে না পারলে বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা তৈরি হয়। এ সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পুঁইশাক অন্যতম।
পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বাইরে যেতে সাহায্য করে। এ শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন `এ` এবং `সি`, যা ত্বকের রোগজীবাণু দূর করে, বৃদ্ধি ও বর্ধনে সাহায্য করে, চোখের পুষ্টি জোগানো ও চুলকে মজবুত রাখে।

মূলা

এটি হালকা গন্ধবিশিষ্ট, বড়, সাদা রঙের 'মূল' জাতীয় সবজি। এর আদিভূমি কন্টিনেন্টাল এশিয়া।
কাচা মুলা খেলে কফ ও পিত্ত বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বাত, কাশি হিক্কা রোগের জন্য মুলা উপকারী।

Monday, 14 November 2016

চাঁদ

চাঁদ পৃথিবীর এত কাছে শেষ এসেছে ১৯৪৮ সালে ,
৬৮ বছর পর  ১৪, ১১, ২০১৬  আবার আমাদের এত কাছে এসেছে,
আবার আসবে ২০৩৪ সালে

ছবিঃ ঢাকা,বাংলাদেশ

বকুল ফল

বকুল ফল
 বকুল গাছে ছোট ছোট কুলের মত ডিম্বাকৃতির ফল হয়। ফল গুলো কাঁচা অবস্থায় সবুজ,পাঁকলে লাল বর্ণ ধারণ করে।পাখিরা বকুল ফল খেয়ে থাকে। অনেক সময় বাচ্চাদের ও বকুল ফল খেতে দেখা যায়। ফলের স্বাদ কষ যুক্ত হালকা মিষ্টি। গাছে এই ফল আসে বর্ষাকালে ।
কাঁচা বকুলের ফল প্রতিদিন ২-৩ টি করে চিবিয়ে খেলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয়।
 মালয়'রা বকুল ফল সংরক্ষণ করে রাখে এবং আচার তৈরি করে।

মুরগির মাংস

মুরগির মাংস
মাংসের মধ্যে মুরগীর মাংস সবচাইতে সুস্বাদু এবং সবচাইতে বেশি স্বাস্থ্য সম্মত।
মুরগির মাংস খাওয়া যায় নানাভাবে_রোস্ট, গ্রিল, ফ্রাই অথবা বিভিন্ন রকম হার্ব এবং মসলা মিশিয়ে সুস্বাদু, সুবাসিত, পুষ্টিকর খাবার তৈরি করে। প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস হচ্ছে মাংস।
পুষ্টিতথ্য
নিয়াসিনের অতি উৎকৃষ্ট উৎস এটি। এ মাংসে আমিষ ও সেলেনিয়াম আছে প্রচুর পরিমাণ। ভিটামিন বি-৬ ও ফসফরাসের ভালো উৎস মুরগির মাংস। এ ছাড়া আয়রন ও কোলাইন রয়েছে।
প্রতি ৪ আউন্স (১১৩ গ্রাম) মুরগির মাংসে যা আছে:
পুষ্টি উপাদানের নাম ও দৈনিক চাহিদার পূরণকৃত পরিমাণ হলো ট্রিপটোফ্যান ১২৮%, নিয়াসিন ৭৮%, আমিষ ৭০%, সেলেনিয়াম ৪৫%, ভিটামিন বি ৬৩৪%, ফসফরাস ২৬%, কোলাইন ২৩%।
 মুরগির মাংসের আমিষ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের যে ক্ষয় হয় তার হার কমিয়ে দেয়। আমিষজনিত পুষ্টিহীনতা থেকেও রক্ষা করে।
 মুরগির মাংসের বি ভিটামিন, নিয়াসিন ও সেলেনিয়াম ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
 মুরগি পছন্দ করার ক্ষেত্রে ফার্মের চেয়ে দেশি মুরগি খাওয়া ভালো। কারণ ফার্মের মুরগিকে নানা রকম অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এ ছাড়া দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য যে খাবারগুলো খাওয়ানো হয় এবং হরমোন প্রয়োগ করা হয়, তাও খুব একটা নিরাপদ নয়।